ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জুড়ীতে নির্বাচনী সহিংসতার উদ্দেশ্যে জামায়াতের মজুদ‌ করা লাঠিসোঁটা উদ্ধার স্মাগলারদের রামরাজত্বে ভয়ংকর দর্শনা এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শেরেবাংলা নগরে বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় বাংলাদেশ বেতারে মাদকসেবী অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা, উদাসীন বেতার কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালনে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের উদাসীনতা test প্রতারণার অভিযোগে অভিজাত রেস্টুরেন্ট মালিক গ্রেপ্তার

পাঁচ বছর পর প্রসূতি অস্ত্রোপচার চালু

#

৩০ জানুয়ারি, ২০২২,  3:48 PM

news image

পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল প্রসূতি অস্ত্রোপচার কক্ষ। এর ফলে তানোর ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার প্রসূতিদের বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা জেলা ও বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে ছুটতে হতো। অবশেষে গতকাল বুধবার সেটি চালু করা হলো। সকাল ৯টার দিকে রুপা নামের এক প্রসূতির অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচার কক্ষ চালু করা হয়।


গতকাল সকালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয় তানোর পৌরসভা সদরের শিবতলা এলাকার অলক কুমারের স্ত্রীর। ফুটফুটে মেয়ে হয়েছে তাঁদের।


অলক কুমার বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কোনো টাকা ছাড়াই সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেছেন। এতে তাঁর মতো গরিব মানুষদের সুবিধা হলো।


আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ইসরাত জাহানের তত্ত্বাবধানে অস্ত্রোপচারটি পরিচালিত হয়। সঙ্গে ছিলেন অ্যানেসথেটিস্ট কামরুন নাহার হাসি ও গাইনি কনসালটেন্ট এলিনা খানম।


হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আশির দশকে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি চালু করা হয়। পরবর্তীকালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। অবকাঠামোগত সব সুযোগ-সুবিধা থাকার পর অ্যানেসথেটিস্ট ও গাইনি চিকিৎসকের অভাবে পাঁচ বছর ধরে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার বন্ধ ছিল।


২০২১ সালের ১৯ মার্চ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ডা. বার্নাবাস হাসদাক। তিনি যোগদানের পর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার মান উন্নত করার চেষ্টা করছেন।


ডা. বার্নাবাস হাসদাক বলেন, ‘সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সব সরঞ্জাম থাকার পরও অ্যানেসথেটিস্ট ও গাইনি চিকিৎসক না থাকায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার বন্ধ ছিল। বর্তমানে সপ্তাহে এক দিনের জন্য অ্যানেসথেটিস্ট ও গাইনি চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া আমি নিজে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেছি। এখন থেকে নিয়মিত এ সেবা দেওয়া হবে। যেসব রোগীর বাইরে যেতে হতো, তাঁরা এখানে সেই সেবা পাবেন বলে আশা করছি।’


তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ইউএনও পংকজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, দীর্ঘদিন পর তানোরে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার চালু হওয়ায় এ উপজেলার প্রসূতি মায়েরা উপকৃত হবেন।