ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্মাগলারদের রামরাজত্বে ভয়ংকর দর্শনা এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শেরেবাংলা নগরে বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় বাংলাদেশ বেতারে মাদকসেবী অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা, উদাসীন বেতার কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালনে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের উদাসীনতা test প্রতারণার অভিযোগে অভিজাত রেস্টুরেন্ট মালিক গ্রেপ্তার প্রতারণার অভিযোগে অভিজাত রেস্টুরেন্ট মালিক গ্রেপ্তার

৩১ লাখ টাকা আত্মসাতে অপহরণ নাটক গ্রেপ্তার -১

#

২২ ডিসেম্বর, ২০২১,  9:45 PM

news image

 রাজশাহীতে পাওনাদারের ৩১ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতে অপহরণের নাটক সাজানর অপরাধে মিজানুর রহমান (২৬) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছেন রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে । বুধবার দুপুরে গোয়েন্দা শাখা কার্যালয়ে তাকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করে বিস্তারিত জানায় পুলিশ।


গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাজীহাটা ধরমপুর গ্রামের এমারত আলীর ছেলে। সে নগরের কাশিয়াডাঙ্গা থানার টুলটুলি পাড়ায় বসবাস করে। ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ’ নামের বিভিন্ন দেশের মুদ্রা কেনা-বেচা কেনার প্রতিষ্ঠানের মালিক মিজানুর।


মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার আরেফিন জুয়েল বলেন, গত ১২ ডিসেম্বর বিকেলে নিখোঁজ হয় মিজানুর রহমান। ১৩ ডিসেম্বর তার মা মনিরা বেগম কাশিয়াডাঙ্গা থানায় জিডি করে। এর পরের দিন সে অপহরণের বিষয়ে পরিবারকে জানিয়ে বলে অপহরণকারিরা তার অনলাইন ব্যবসার ৭৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।


মুক্তিপণের আরও ২০ লাখ টাকা না দিলে অপহরণকারীকে তাকে মেরে ফেলবে। এ বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে সাথে সাথে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ তার অবস্থান সনাক্ত করে ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।


আরেফিন জুয়েল আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে মিজানুর প্রথমে অপহরণের কথা বললেও পরে নাটক সাজানোর কথা স্বীকার করে। তিনি পুলিশকে জানায়, অনলাইন ব্যবসায় গত সাত বছরে তার ৭৮ লাখ টাকা লোকসান হয়। পুঁজি হারিয়ে ব্যবসা প্রায় বন্ধ। এ জন্য ৩১ লক্ষ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।


তিন বন্ধু নয় লাখ, এক চাচার ১৫ লাখ, নানার চার লাখ এবং একটি এনজিও তিন লাখ টাকা পাবে। সম্প্রতি পাওনাদাররা চাপ সৃষ্টি করলে টাকা না দেয়া ও পরিবার থেকে অর্থ আদায়ের কৌশল হিসেবে আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণের নাটক সাজায় এবং তার একাউন্টে ২০ লক্ষ টাকা দিতে বলেন।