ঢাকা ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্মাগলারদের রামরাজত্বে ভয়ংকর দর্শনা এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শেরেবাংলা নগরে বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় বাংলাদেশ বেতারে মাদকসেবী অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা, উদাসীন বেতার কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালনে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের উদাসীনতা test প্রতারণার অভিযোগে অভিজাত রেস্টুরেন্ট মালিক গ্রেপ্তার প্রতারণার অভিযোগে অভিজাত রেস্টুরেন্ট মালিক গ্রেপ্তার

তানোরে মেধাবী মোস্তাকিমকে দেয়া হল প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান

#

২৭ নভেম্বর, ২০২১,  4:36 PM

news image


প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আর্থিক অনুদান পেয়েছেন তানোর উপজেলার অদম্য মেধাবী মোস্তাকিম আলী। কাঠমিস্ত্রির কাজের ফাঁকে পড়াশোনা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটে প্রথম হন এই শিক্ষার্থী।



শুক্রবার বেলা ১০টায় তানোর উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মোস্তাকিমের হাতে ৩৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংকজ চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হোসেন খান ও তানোর থানার ওসি রাকিবুল হাসান।


অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোনিয়া সরদার,  মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সানাউল্লাহ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।


বিভিন্ন সংবাদপত্রে  ‘দারিদ্র্য দমাতে পারেনি মোস্তাকিমকে, রাবিতে ‘বি’ ইউনিটে প্রথম’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে নজর কাড়ে প্রশাসনের। ফলে পথমে পুলিশ কমিশনার তাঁকে সংধবর্ণা দেন। সম্প্রতি তানোর উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পক্ষ মোস্তাকিমকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।


উল্লেখ্য, তানোর উপজেলার বাঁধাইড় মিশনপাড়া গ্রামের সামাউন আলীর ছেলে মোস্তাকিম। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় সে। বাবা পেশায় কাঠমিস্ত্রি। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে মোস্তাকিম বাবার পেশায় যুক্ত হন। দিনে কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন, রাতে পড়াশোনা।


২০১৭ সালে জিপিএ-৪ দশমিক ৫৫ নিয়ে মাধ্যমিক ও ২০২০ সালে জিপিএ-৪ দশমিক ৮৩ পেয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এবার রাবির ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করেন মোস্তাকিম।